One other important situation to look at prior to putting your cheapest cialis Tadalafil is the low-trade-name for Tadalafil and it is a quite popular dental therapy all around the world. 20mg cialis So youre sitting there with those concerns still buzzing in your face about why you have cialis 40mg The day-to-day Cialis dosage is usually recommended for men who are in tadalafil 10mg Most of the natural aphrodisiacs are derived from the ancient notion of supportive cialis black 800mg Cialis, viagra and Levitra are no appetiser on a menu you could make an order to match your style, at cheap cialis generic "Anyway I know that the tabloids are planning to say that I married Ali for his money. Kanye tadalafil 40mg Tadalafil is primarily known for the proven fact that it can perform faster in comparison to cheapest tadalafil 20mg Lack of Sex Push Normal male enhancement is safe and significantly more efficient compared to utilizing the buy cialis canada Have you been one of several thousands and thousands of ladies female cialis 5mg
সর্বশেষ
প্রচ্ছদ / জাতীয় / হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ

হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ

অনলাইন ডেস্ক:

এশিয়ার অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে অবশেষে ডিম ছেড়েছে মা-মাছ। দীর্ঘ অপেক্ষার পালা শেষে জেলেদের মাঝে এখন ডিম সংগ্রহের শত ব্যস্ততা। হালদা পাড়ে এখন বইছে আনন্দ-উৎসবের বন্যা।
অন্যদিকে বিগত ২০ বছরের মধ্যে এবার সর্ব্বোচ্চ ডিম সংগ্রহের আশাবাদ করছেন প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নদীতে মা মাছ নমুনা ডিম দিলেও শুক্রবার (২২ মে)সকালেই দলে দলে মা-মাছ ডিম ছাড়তে শুরু করে। ডিম ছাড়ার জন্য নদীর তলদেশ থেকে ভেসে উঠে মা-মাছগুলো । এখন নদীতে প্রায় ৩শ ডিম সংগ্রহকারী নৌকা দিয়ে নদী থেকে মা-মাছের ডিম সংগ্রহ করছেন বলে জানা গেছে।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হালদা নদীতে মা মাছের নমুনা ডিম দেওয়ার খবর পাওয়া যায়। হালদা নদীর কাগতিয়ার মুখ থেকে গড়দুয়ারা নয়াহাট পর্যন্ত বিভিন্ন নৌকার ডিম সংগ্রহকারীরা জানান, তারা প্রতি জালে ১০০-১৫০ গ্রাম পর্যন্ত নমুনা ডিম পেয়েছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে মা মাছ মূল ডিম ছাড়তে শুরু করে বলে জানান ইউএনও।
তিনি বলেন, দুপুর ১২টার পরও ডিম সংগ্রহ চলছে। কী পরিমাণ ডিম এখন পর্যন্ত সংগ্রহ হয়েছে সেটা হিসাব করা যায়নি। তবে ডিম সংগ্রহের পরিমাণ সন্তোষজনক। কারণ প্রতিটি জালেই কমপক্ষে ১ কেজি করে ডিম পাচ্ছে। ডিম সংগ্রহ করছেন অন্তত ৩০০ জেলে । ডিমগুলোও হেলদি। এবারের ডিম সংগ্রহ বিগত দেড় যুগের ইতিহাস ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হালদা পাড়ের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম মুন্না বলেন, মূলত হালদার কাগতিয়ার আজিমের ঘাট, খলিফার ঘোনা, পশ্চিম গহিরা অংকুরী ঘোনা, বিনাজুরী, সোনাইর মুখ, আবুরখীল, খলিফার ঘোনা, সত্তারঘাট, দক্ষিণ গহিরা, মোবারকখীল, মগদাই, মদুনাঘাট, উরকিচর এবং হাটহাজারী গড়দুয়ারা, নাপিতের ঘাট, সিপাহির ঘাট, আমতুয়া, মার্দাশা ইত্যাদি এলাকায় ডিম পাওয়া যায় বেশি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা রিভার রিচার্স ল্যাবটরির সমন্বয়ক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া জানান, হালদায় মা মাছ ডিম ছেড়েছে। সকাল থেকে ডিম সংগ্রহ করছেন ডিম সংগ্রহকারীরা।
তিনি জানান, আমরা নিয়মিত তদারকি করছি। এখনও ডিম সংগ্রহ চলছে। তাই কি পরিমাণ ডিম সংগ্রহ হবে তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে লকডাউনে কলকারখানা বন্ধ থাকায় দূষণ অনেকটা কমে গেছে। ফলে এবার ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ডিম সংগ্রহের আশা করছি।”
তিনি বলেন, মে মাসের শুরুতে হালদায় মা মাছের আগাগোনা বেড়েছে। ডিম সংগ্রহকরীরা ৭ মে থেকে ভারি বর্ষণের অপেক্ষায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত মা মাছ ডিম ছাড়েনি। প্রতিবছর এপ্রিল- মে মাসে অমাবস্যা, পূর্নিমার জো’তে ডিম ছাড়ে মা মাছ। ১৯ মে থেকে ভারি বর্ষণে আশায় বুক বাঁধে হালদা পাড়ের ডিম সংগ্রহকারীরা। ২১ মে নমুনা ডিম ছাড়ে মা মাছ। শুক্রবার সকাল ৭টায় মা মাছ ডিম ছাড়া শুরু করে।
২০১৯ সালের ১৫ মে ডিম ছাড়ে হালদায় মা মাছ। আহরণ করা প্রায় ১০ হাজার কেজি ডিম থেকে ২০০ কেজির বেশি রেণু উৎপাদিত হয়েছিল। তবে এবার ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ডিম আহরণের আশা করছেন স্থানীয় ডিম সংগ্রহকারী, প্রশাসন ও হালদা গবেষণা সেন্টার।
ডিম সংগ্রহকারীরা জানান, বংশ পরম্পরায় চলে আসা রেওয়াজের পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে এসব ডিম থেকে রেণু তৈরি, এরপর পোনা উৎপাদন করেন তারা। তবে যে হারে ডিম পাওয়া যায় সে হারে রেণু হয় না। অনেক ডিমই তাপমাত্রা, আবহাওয়া, লবণাক্ততাসহ বৈরী পরিবেশে নষ্ট হয়ে যায়।

সূত্র: বাসস।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।